প্রেম করে দাদিকে নিয়ে উধাও নাতি

প্রকাশিত: ৭:২৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০১৯

ভৈরবে তিন সন্তানের জননীকে নিয়ে উধাও হলেন তানভির হোসেন (১৬ নামে এক কিশোর। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় দুই পরিবারের সদস্যরাই থানায় লিখিত অভিযোগ করায় এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাহারুল খাঁন বাহার।

তিন সন্তানের জননীর নাম আবুনি বেগম (৩৬)। তিনি কালীপুর গ্রামের পিয়ার মিয়ার স্ত্রী। আর পিয়ার মিয়া চাকুরীর সুবাধে ঢাকায় থাকেন। তানভীর একই এলাকার প্রবাসী খলিল মিয়ার ছেলে। সম্পর্কে তারা দাদি-নাতি হয়। তাদের দুজনেরই বাড়ি ভৈরবের কালীপুর গ্রামে। এদিকে পিয়ার মিয়ার দাবি, গত ১৩ নভেম্বর দুপুরে তানভির তার স্ত্রীকে নিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে। আর পালানোর সময় তার ঘর থেকে লাখ টাকাসহ শিশুপুত্র রিফাতকেও সাথে নিয়ে গেছে তারা।

অপর দিকে তানভিরের মা স্বপ্না বেগমের অভিযোগ, তার ছেলের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ১৩ নভেম্বর পিঠা খেয়ে বাসা থেকে বের হয়ে সে আর ফিরে আসেনি। কে বা কারা তার ছেলেকে তুলে নিয়ে গেছে বলে দাবি স্বপ্না বেগমের। স্থানীয়রা জানান, পিয়ার মিয়া কাজের সুবাধে ঢাকায় থাকেন। ফলে পাশের বাড়ির তানভিরের সাথে পিয়ার মিয়ার স্ত্রী তিন সন্তানের জননী আবুনি বেগমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

আর যখন পিয়ার মিয়ার ঢাকায় কাজ না থাকায় ভৈরবে আসেন তখনই হয় সমস্যা। আগের মতো তাদের আর দেখা সাক্ষাৎ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই সুযোগ বুঝে লোকলজ্জা ভুলে উধাও হয়ে ঘর ছাড়লেন তারা। এদিকে একজন ছেলের বয়সী কিশোরের সাথে তিন সন্তানের জননী প্রেম করে পালিয়ে গেছে প্রথমে বিষয়টি লজ্জায় পুলিশের কাছে বলতে পারছিলেন না স্বামী পিয়ার মিয়া।

পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে সব তথ্য।স্থানীয়রা জানান, পিয়ার মিয়া কাজের সুবাধে ঢাকায় থাকেন। ফলে পাশের বাড়ির তানভিরের সঙ্গে পিয়ার মিয়ার স্ত্রী তিন সন্তানের জননী আবুনি বেগমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর যখন পিয়ার মিয়ার ঢাকায় কাজ না থাকায় ভৈরবে আসেন তখনই হয় সমস্যা। আগের মতো তাদের আর দেখা সাক্ষাৎ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই সুযোগ বুঝে লোকলজ্জা ভুলে উধাও হয়ে ঘর ছাড়লেন তারা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাহারুল খাঁন বাহার জানান, আমরা দুজনকে উদ্ধার করতে চেষ্টা করছি।এ দিকে একজন ছেলের বয়সী কিশোরের সাথে তিন সন্তানের জননী প্রেম করে পালিয়ে গেছে প্রথমে বিষয়টি লজ্জায় পুলিশের কাছে বলতে পারছিলেন না স্বামী পিয়ার মিয়া। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে সব তথ্য।

Facebook Comments